বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুনের ঘটনায় আজ উত্তর দিনাজপুর জেলায় বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টার বনধে সরকারি বাস ও লড়ি ভাঙচুররের ঘটনা ঘটলো রায়গঞ্জ শহরে। রায়গঞ্জের কসবা মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক আটকে দুটি সরকারি বাস ও লড়ি ভাঙচুর করে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা বলে অভিযোগ। সমস্ত যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পরেন নিত্যযাত্রীরা। শনিবার জেলার চোপড়া থানার কাচাকলি চান্দ্রাগছ এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূল সংঘর্ষে গুলিবিদ হয়ে মৃত্যু হয় বিজেপির মন্ডল কমিটির নেতা বিজয় সিংহের। আহত হয় আরও আটজন বিজেপি কর্মী সমর্থক। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ উত্তর দিনাজপুর জেলায় ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপির ডাকা ধর্মঘটে বিক্ষিপ্ত কিছু ভাঙচুররের ঘটনা ঘটলো রায়গঞ্জে। অশান্তি এড়াতে পুলিশি টহল ও বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। বন্ধের প্রভাবে রায়গঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট, হাটবাজার ছিল বন্ধ। দুস্কৃতীর হাতে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে উত্তর দিনাজপুর জেলা ব্যাপী বনধের ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা যায়। সকাল থেকেই জেলার প্রতিটি ব্লকে পথ অবরোধ করছে বিজেপি নেতা কর্মীরা।
উল্লেখ্য, শনিবার চোপড়া থানার কাচাকলির চান্দ্রাগছে বিজেপির বিস্তারক যাত্রার মিছিলে তৃণমুলের সশস্ত্র বাহিনীর হামলা করে বলে অভিযোগ বিজেপির। ঘটনায় মৃত্যু হয় বিজয় সিংহ নামে এক বিজেপি কর্মীর আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত অবস্থায় চোপড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ের সামনে পথ অবরোধ করে বিজেপি নেতারা। সেইসাথে রবিবার ১২ ঘন্টা উত্তর দিনাজপুর জেলা বনধের ডাক দেয় বিজেপি নেতৃত্ব। জেলা জুড়ে ২০০ জন কর্মী সর্মথনকে আটক করে পুলিশ বলে বিজেপি সুত্রে খবর।
অপরদিকে বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে তৃনমূল নেতৃত্ব। অমল আচার্য জানান, শনিবার রাতে ৮ থেকে ৯ টার সময় বিজেপি নেতৃত্ব মাইকিন করে রবিবার ১২ ঘণ্টা বনধের যা ঠিক না। একটা বনধ ডাকা হলে তার অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে মানুষকে জানানো উচিত। হঠাৎ করে ডাকা বনধে বহু মানুষকে ও ছোট ছোট ব্যবসায়ীকে সমস্যার সন্মুখিন হতে হয়। এই নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে এক গ্রাস ক্ষোভ উগ্লে দেন অমল আচার্য।